বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ১১:৪৩ অপরাহ্ন

জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি:
কুষ্টিয়া পোস্ট ডট কমের জন্য সারা দেশে জরুরী ভিত্তিতে বিভাগীয় প্রধান, জেলা, উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা career@kushtiapost.com ইমেইল এ সিভি পাঠাতে পারেন।

গোবিন্দগঞ্জে মিষ্টি আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে চর অঞ্চলে অনেক কৃষকই এবার আগাম মিষ্টি আলু চাষ করেছেন। মিষ্টি আলু থেকে ভালো লাভের আশা করছেন তাঁরা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের নানা জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয় এই আলু।

উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নে চরবালুয়া চর অঞ্চলে চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার বন্যা বা অনাবৃষ্টি না হওয়ায় চর বালুয়া করতোয়া নদীর চর অঞ্চলে কার্তিক মাসের প্রথম সপ্তাহে থেকে শুরু হয় মিষ্টি আলুর চারা বপন। ফাল্গুন মাসের প্রথম দিকে থেকে মিষ্টি আলু মাটির নিচে পরিপক্ব হয় এবং এসব আগাম জাতের আলু তোলা শুরু হয়। কিন্তু এবার চর অঞ্চলে কৃষকরা মিষ্টি আলুর দাম ভালো পাওয়ায় তোলা শুরু করে এবং ঐ জমি আবার হাল চাষ করে পুনরায় মিষ্টি আলুর চারা বপনে ব্যস্ত সময় পার করছে।

উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের চর অঞ্চলে গিয়ে দেখা গেছে, খেতজুড়ে আবাদ করা হয়েছে মিষ্টি আলু। কেউ কেউ কোদাল দিয়ে মাটি কুপিয়ে আলগা করে বিট করছেন। কেউবা আবার বিটে মিষ্টি আলুর চারা বপন করছে।

চর অঞ্চলের একজন কৃষক জানান, এই মৌসুমে ১৫ শতক জমিতে মিষ্টি আলু চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন পাওয়া যাবে। এক বিঘা জমিতে ৬০ থেকে ৬৫ মণ আলু নামে। গত বছর প্রতি মণ মিষ্টি আলু পাইকারি ৪৫০ থেকে ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি করছি। কিন্তু বাজার দর ভালো হওয়ায় প্রতি মণ ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৪২ শতক জমিতে চারা বপন ও আলু তোলা পর্যন্ত মোট খরচ হয়েছে প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। এবার বাজারদর ভালো হওয়ায় ১৫ শতক জমিতে ৩০ হাজার টাকার আলু বিক্রি করছি। তাই আবার একই জমিতে সার দিয়ে হাল চাষ করে আলুর চারা লাগাচ্ছি।

চর এলাকার আরেকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, আমরা চর অঞ্চলের কৃষকরা চরে যে কোনো ফসল ফলায়তে পরিপক্ব সময় লাগে সাড়ে ৫ মাস থেকে ৬ মাস। কিন্তু এই জাতের আলু চারা বপন থেকে শুরু করে ৯০ দিনের ফল দেয়, যার ফলে ৬ মাসে দুবার ফল পাওয়া যাবে। এতে করে আমরা কৃষকরা এক বিঘা জমিতে মিষ্টি আলু চাষ করে ১লক্ষ থেকে ১লক্ষ ২০ হাজার টাকার আলু বিক্রি হবে। এবং মিষ্টি আলু চাষে ৬ মাসে দুবার খরচ বাদে ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা লাভ হবে। এজন্যই চর অঞ্চলের কৃষকরা আগাম জাতের মিষ্টি আলু চাষে ঝুঁকছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Crafted with by Softhab Inc © 2021
error: আমাদের এই সাইটের লেখা অনুমতি ছাড়া কপি করা যাবে না।